Rapid Remedy System.


The introduction of a new system in the law-courts.

.


প্রী শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পি এস আই) ব্যবস্থাটি একটি আইনের আওতায় গৃহীত হয়েছিল এবং বর্তমানেও বাংলাদেশে তা চালু আছে জানি। অনুরূপে, মাননীয় জেলা জজ আইন-আদালতে যদি সকল বিবেচনাকে আভ্যন্তরীন বিবেচনায় না রেখে (২) দুটি বিবেচনাকে বাহ্যিক বিবেচনায় ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে ঐ আইন-আদালতে কখনও ফর্মাল ডিফেক্টিভ, ভুল আর্জি দায়ের হবেনা। বাহ্যিক বিবেচনায় বিবেচ্য স্তর দুটি হচ্ছে - ১। ডিসকভারি স্তর উপযুক্ত কোর্ট ফী আদায় সহ , ২। ইস্যু গঠন স্তর। এই স্তর দুটিকে বিবেচনা করার জন্য বিচার কক্ষে দলিল, প্রমাণাদি এবং আর্জি প্রবেশের পূর্বে আর একটি প্রাক - বিবেচনা কক্ষে দলিল, প্রমাণাদি এবং আর্জি, বর্ণনা প্রথমে প্রবেশ করবে। বর্ণনা অকার্যকর বিবেচিত হলে তা তাৎক্ষণিক বাতিল গণ্য করে তথায় সর্বোচ্চ ১ (এক) মাসের মধ্যে ঐ কক্ষের মাননীয় ব্রেন ষ্টার (Brain Star) জজ মহোদয় আর্জি দলিল, দালিলিক প্রমাণাদি হয় গ্রহণ করবেন না হয় এক মাস উর্তীনে ফেরত দেবেন। তিঁনি আর্জি গ্রহণ করলে তিঁনিই মামলার নম্বর দেবেন এবং ডিসকভারি, ইস্যু গঠন স্তর দুটি সম্পন্ন করে দেবেন মাত্র। অতঃপর মামলাটি বিচার কক্ষে দলিল, প্রমাণাদি এবং আর্জি সহ প্রবেশ করবে। শুধু প্রয়োজন হলে দুতরফা সাক্ষী হবে নতুবা একতরফা সাক্ষীর জেরা পরবর্তীতে আর্গুমেন্ট হবে এবং তদভিত্তিতে রায়-ডিক্রী হবে। এভাবে মামলা পরিচালিত হলে মামলা জট থাকবেনা, জনগণ দ্রুত সুফল পাবে, লুটে-পুটে বেআইনিভাবে খাওয়া বাবদে বিবাদীকে পরবর্তীতে ক্ষতিপূরুন মামলায় বিশাল অংকের টাকা বাদীকে দিতে হবেনা। তবে বাংলাদেশের সর্বস্তরের আইনজীবীরা এই পদ্দতির বিরোধিতা করবে, কারণ এই পদ্দতি তাদের তারিখে তারিখে মামলায় জিতুক আর না জিতুক মক্কেল থেকে টাকা খাওয়ার পথে বাধা হবে তাই। আর যখনই তারা বিরোধিতা করবে তখনি ধর্তব্য হবে, অহেতুক মামলা তারাই ঘুরায়, মামলা জট তারাই করে এবং এইভাবে জনস্বার্থবিরোধী কাজ তারাই করে। এখানে এযাবৎ যে পদ্দতির কথা বল্লাম তদ্রুপ লেখা, বলা কখনো দেখিনি, শুনিনি!

48 Views